পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সম্পর্কীয় Gk

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য পশু

মেছো বিড়াল

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য পাখি

শ্বেত কন্ঠ মাছরাঙা

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বৃক্ষ

ছাতিম

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য ফুল

শিউলি

পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম প্রতিবেশী দেশের নাম

বাংলাদেশ 

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষুদ্রতম প্রতিবেশী দেশের নাম

ভুটান

পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে কয়টি দেশের সীমানা যুক্ত

3 টি -বাংলাদেশ,নেপাল ও ভুটান।

ভারতের কয়টি রাজ্যের সাথে পশ্চিমবঙ্গের সীমানা যুক্ত
রয়েছে 

 5 টি – আসাম, বিহার, সিকিম,ঝাড়খন্ড এবং ওড়িশা।

পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম জেলা-উত্তর চব্বিশ পরগনা(জনসংখ্যা)
-দক্ষিণ ২৪ পরগনা (আয়তন)
[আগে বর্ধমান জেলা ছিলো ভাগ হয়ে ছোট হয়ে গেছে]

প্রতি পশ্চিমবঙ্গের সর্বাধিক নগরায়ন সম্পন্ন জেলা

কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় মহকুমা নেই।
কলকাতায়।

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন।
ডঃ প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ।

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষুদ্রতম জেলা‌
কলকাতা (185 বর্গ কিঃমিঃ)।

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম রাজ্যপাল।
চক্রবর্তী রাজাগােপালাচারী।

পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
সান্দাকফু (3,636 মিটার)।

 পশ্চিমবঙ্গের মোট আয়তন

-৮৮,৭৫২ বর্গ কিলোমিটার বা ৩৪,২৬৭ বর্গ মাইল।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান নদী।
গঙ্গা।

ভারতের মোট আয়তনের

২.৬৭ শতাংশ।

পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব পশ্চিমে বিস্তার-

-৩২৪ কিলোমিটার

পশ্চিমবঙ্গের  উত্তর দক্ষিণে বিস্তার—

৬২৩ কিলোমিটার।

 আয়তনের বিচারে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমানে ভারতের

-১৩তম রাজ্য।

[**(কিছুদিন আগেও ১৪তম ছিল।জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের তকমা পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই এক ধাপ ওপরে উঠেছে)।

 পশ্চিমবঙ্গের আয়তন অনেকটা হাঙ্গেরির মত।**]

পশ্চিমবঙ্গ সর্বাধিক সীমানা ভাগ করেছে

–বাংলাদেশের সাথে(২২১৭ কিলোমিটার)।

*****মোট ১০ টি জেলা বাংলাদেশের সাথে সীমানা ভাগ করেছে।
কুচবিহার, জলপাইগুড়ি ,উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর মালদা ,উত্তর 24 পরগনা ,দক্ষিণ 24 পরগনা, নদীয়া, দার্জিলিং, মুর্শিদাবাদ।*****

পশ্চিমবঙ্গকোন রাজ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সীমানা ভাগ করেছে

— ঝাড়খন্ডের সাথে।

প্রতিবেশী বৃহত্তম রাজ্য

ওড়িশা।

কর্কটক্রান্তি রেখা পশ্চিমবঙ্গের  জেলার মধ্যে দিয়ে গেছে

-মোট ৫ টি [পুরুলিয়া
নদীয়া(বাহাদুরপুর),বাঁকুড়া ও পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমান।]

পশ্চিমবঙ্গের  মোট জেলা

–২৩

পশ্চিমবঙ্গের  জেলা পরিষদ

–২১টি, মহকুমা পরিষদ ১টি

পশ্চিমবঙ্গের  মোট ডিভিশন

পশ্চিমবঙ্গের  মোট সাব ডিভিশন

৬৬

পশ্চিমবঙ্গের  মোট ব্লক

-৩৪২

পশ্চিমবঙ্গের  মোট মিউনিসিপাল কর্পোরেশন

পশ্চিমবঙ্গের  মোট মিউনিসিপালিটি

১১৯

পশ্চিমবঙ্গের  মোট গ্রাম পঞ্চায়েত

৩৩৫৪

পশ্চিমবঙ্গের  মোট লোকসভায় আসন

৪২

পশ্চিমবঙ্গের  মোট  বিধানসভায় আসন সংখ্যা

২৯৪

পশ্চিমবঙ্গের  মোটরাজ্যসভায় আসন

১৬

পশ্চিমবঙ্গের  মোট কয় বার রাষ্ট্রপতির শাসন হয়েছে-

— মোট ৪ বার।

ভূপ্রাকৃতিক দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গকে মোট ৮ টি ভাগে ভাগ করা যায় —

”১.দার্জিলিং হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল

২.পাদদেশের তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চল

৩.উত্তরবঙ্গের সমভূমি

৪.গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ অঞ্চল

৫.রাঢ় অঞ্চল

৬.দক্ষিণ পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চল

৭.উপকূলীয় সমভূমি

৮.সুন্দরবন”

দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ

— সান্দাকফু (সিঙ্গলিলা পর্বতমালার অন্তর্ভুক্ত, ৩৬৩৬ মিটার)

টাইগার হিলের উচ্চতা

–২৫৭৩ মিটার।

পশ্চিমবঙ্গের  উচ্চতম রেলস্টেশন

–ঘুম(২২৬০ মিটার)

পাদদেশের তরাই অঞ্চলের আয়তন

–৩৮ কিলোমিটার।

তরাই-ডুয়ার্স অঞ্চলের গড় উচ্চতা

–৮০ থেকে ১০০ মিটার।

তিস্তা নদী এই অঞ্চলকে তরাই ও ডুয়ার্স এই দুইভাগে ভাগ করেছে।

-তিস্তার পশ্চিমদিকে তরাই এবং পূর্বে ডুয়ার্স বা দুয়ার।

ডুয়ার্সকে আবার অবস্থান অনুসারে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়-

১.পশ্চিমে শিলিগুড়ি ডুয়ার্স।

২.পূর্বে আলিপুর ডুয়ার্স।

৩.মাঝে জলপাইগুড়ি ডুয়ার্স।

[”* তরাই অঞ্চলের দক্ষিণ থেকে গঙ্গার বামতীর অব্দি,অর্থাৎ মুর্শিদাবাদের উত্তর পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সমভূমি অঞ্চল।জলপাইগুড়ি,আলিপুর দুয়ার এবং কোচবিহারের দক্ষিণাংশ,দুই দিনাজপুর ও মালদা এর অংশ।

*মহানন্দা নদী মালদাকে দুই ভাগে ভাগ করেছে।পূর্ব দিক গঠিত হয়েছে প্রাচীন পলিমাটি দিয়ে।এই অংশের প্রাচীন নাম–বারিন্দ বা বরেন্দ্রভূমি।

*মহানন্দার পশ্চিমভাগ তুলনামূলক নবীন পলিমাটি নির্মিত।এই অংশে কালিন্দি নদী মহানন্দার সাথে মিলেছে।”]

 

কালিন্দি নদীও আবার মালদাকে দুইভাগে ভাগ করেছে

— তাল ও দিয়ারা।**[উত্তরে নিচু অনুর্বর জলাভূমি হল তাল আর দক্ষিণের উর্বর পলিমাটি নির্মিত এলাকা দিয়ারা।]**

 

রাঢ অঞ্চল গঠিত হয়েছে মোট ৭ টি জেলা নিয়ে

–মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান,পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর।

 

রাঢ় অঞ্চলের গড় উচ্চতা

–৫০ থেকে ১০০ মিটার।

দক্ষিণ পশ্চিম মালভূমি ও উচ্চভূমি অঞ্চলের উচ্চতার বিস্তার

— ১০০ থেকে ৫০০ মিটার। [গড় উচ্চতা–৩০০ মিটার।]

 

এই অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ

গোর্গাবুরু(৬৭৭ মিটার)।

পশ্চিমবঙ্গের   মৃত ব-দ্বীপ অঞ্চল

— নদীয়া,মুর্শির্দাবাদ এবং উত্তর ২৪ পরগণার উত্তরাংশ।

 

পশ্চিমবঙ্গের   সক্রিয় বদ্বীপ অঞ্চল

–উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণার দক্ষিণাংশ।

পশ্চিমবঙ্গের  প্রধান নদী

গঙ্গা।রাজমহল পাহাড়ের কাছে এটা পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছে এবং মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের কাছে

পশ্চিমবঙ্গ কে কোন দুটি নদী শাখায় বিভক্ত হয়েছে

— পদ্মা এবং ভাগীরথী-হুগলি।

পশ্চিমবঙ্গে গঙ্গার দৈর্ঘ্য

— ৫২০ কিমি।

ফারাক্কা বাঁধের(মুর্শিদাবাদ)কাজ শুরু হয়

-১৯৬১ সালে,শেষ হয় ১৯৭৫ সালে।

উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম নদী

–তিস্তা(জলধারণ)

উত্তরবঙ্গের দীর্ঘতম নদী

— মহানন্দা।

বালাসন ও মেচি নদী মিলে তৈরি হয়েছে

— মহানন্দা।

সংকোশ নদী আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যবর্তী সীমানা নির্দেশ করেছে।

মেচি নদী নেপাল ও পশ্চিমবঙ্গের সীমানা নির্দেশ করেছে।

বাংলার দুঃখ

— দামোদর(৪৯২ কিমি)।

বরাকর ও কোনার নদী মিলে তৈরি হয়েছে দামোদর।

বিহারের দুঃখ

— কোশী।

অজয় নদ বর্ধমান ও বীরভূমের মাঝে সীমানা নির্দেশ করেছে।

দ্বারকেশ্বর এবং শিলাবতী নদী মিলিত হয়ে তৈরি হয়েছে

— রূপনারায়ণ।

কংসাবতী ও কেলাঘাই নদী মিলিত হয়ে তৈরি হয়েছে

— হলদি নদী।

বিদ্যাধরী ও রায়মঙ্গল মিলে তৈরি হয়েছে

— ইছামতী।

সুন্দরবন এলাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নদী

–হুগলি,মাতলা,গোসাবা,
সপ্তমুখী,হরিভাঙা,পিয়ালি,ঠাকুরান বা জামিরা,রায়মঙ্গল।

পশ্চিমবঙ্গের  প্রধান খাদ্যশস্য

–আমন ধান।

পশ্চিমবঙ্গের  প্রধান অর্থকরী ফসল-

-চা ও পাট।

পশ্চিমবঙ্গের  সর্বাধিক স্বাভাবিক উদ্ভিদ

— ক্রান্তীয় শুষ্ক পর্ণমোচী প্রকৃতির(২৮.৬৪%,২০১৭ ফরেস্ট রিপোর্ট)

পশ্চিমবঙ্গের শুষ্কতম স্থান

— বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বর।

পশ্চিমবঙ্গ  তৃতীয় বৃহত্তম মাংস উৎপাদনকারী রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছ উৎপাদনকারী রাজ্য(নদী ও সমুদ্র মিলিয়ে,২০১৭)

পশ্চিমবঙ্গের প্রথম কলেজ

— ফোর্ট উইলিয়াম,১৮০০ সাল।

পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের প্রথম বালিকা বিদ্যালয়

– ব্যাপটিস্ট মিশন স্কুল।

পশ্চিমবঙ্গের  প্রথম মহিলা কলেজ

— বেথুন।

পশ্চিমবঙ্গের  প্রথম মেডিকেল কলেজ

— কোলকাতা মেডিকেল কলেজ,১৮৩৫।

পশ্চিমবঙ্গের  প্রথম ট্রন চলে-

– হাওড়া থেকে হুগলি,১৮৫৪।

পশ্চিমবঙ্গের  প্রথম সংবাদপত্র-

– হিকির বেঙ্গল গ্যাজেট,১৭৮০।

পশ্চিমবঙ্গের  প্রথম বাংলা সংবাদপত্র

–সমাচার দর্পণ,১৮১৮।

পশ্চিমবঙ্গের  সর্বপ্রাচীন গ্রন্থাগার

— উইলিয়াম কেরি লাইব্রেরি, ১৮০০।

পশ্চিমবঙ্গে  প্রথম ট্রাম চলে

— 1873 সালের ফেব্রুয়ারিতে চালু হয়ে নভেম্বর এ বন্ধ হয়ে যায় পুনরায় লর্ড রিপনের আমলে,1880 চালু হয়।

Read More :-

ভারতীয় ভূগোল সম্পর্কীয় GK

 

Leave a Reply

%d bloggers like this: